কেশবপুরের গড়ভাংগা বালিকা বিদ্যালয়ে এক Kesabpur

কেশবপুরের গড়ভাংগা বালিকা বিদ্যালয়ে একমাস মেয়াদী হকি প্রশিক্ষন কর্মশালা শুরু

=============================================================

মীর আজিজ হাসান (যশোর), কেশবপুর প্রতিনিধি।

===============================

কেশবপুর উপজেলার গড়ভাংগা বালিকা বিদ্যালয়ে আজ সোমবার বিকাল ০৩ ঘটিকার সময় একমাস মেয়াদী হকি প্রশিক্ষন কর্মশালা শুরু হয়েছে।

একমাস মেয়াদী হকি প্রশিক্ষন কর্মশালা পরিচালনা করবেন গড়ভাংগা বালিকা বিদ্যালয়ের ক্রিড়া শিক্ষক সাইদুল ইসলাম।


গড়ভাংগা বালিকা বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি সাজ্জাদ হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ৭নং পাঁজিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সুযোগ্য সাধারণ সম্পাদক ও চলমান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশি জনাব আব্দুল আহাদ আলবাহার।


বিশেষ অতিথি হিসাবে অত্র প্রশিক্ষন কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি সিদ্ধান্ত বসু ও গড়ভাংগা বালিকা বিদ্যালয়ের সুযোগ্য প্রধান শিক্ষক সুপ্রভাত বসু।।


তারিখঃ 16/11/2021

[email protected]

মোবাইল নং- 01716 144548


https://avalanches.com/bd/kesabpur__1902106_16_11_2021
0
14
There are no advertisements in the Kesabpur yet
Other News Mir Aziz Hasan
https://avalanches.com/bd/keshabpur__1906359_06_02_2022
https://avalanches.com/bd/keshabpur__1906359_06_02_2022
https://avalanches.com/bd/keshabpur__1906359_06_02_2022
https://avalanches.com/bd/keshabpur__1906359_06_02_2022
https://avalanches.com/bd/keshabpur__1906359_06_02_2022

শ্যামনগরের গাবুরা ইউনিয়নে বড়ভাই কর্তৃক ছোটভাইকে ঘেরের হিস্যা না দিয়ে ঘের জবরদখলে রাখা ও সম্পত্তি গ্রাস করার অভিযোগ উঠেছে


মীর আজিজ হাসান, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি।


শ্যামনগর থানার গাবুরায় বড়ভাই মীর আব্দুর রাজ্জাক কর্তৃক আপন ছোটভাই মীর আজিজ হাসানকে বাগদা চিংড়ি ঘেরের হিস্যা না দিয়ে ঘের জবরদখলে রাখা ও সম্পত্তি গ্রাস করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।


২০০৯ সালে গাবুরা তলিয়ে যাওয়ার পর ২০১১ সালে মুল বাঁধের কাজ শেষ হলেও ঘেরটি ছোটভাইকে না দিয়ে টালবাহানা শুরু করেন এবং অদ্যাবধি ঘেরটি ছোটভাইয়ের অনুকুলে বুঝে দেননি, এরই মাঝে অভিযোগকারী ছোটভাই ২০১২ সালে স্ব-পরিবারে কেশবপুর উপজেলায় চলে আসেন। যৌথ ব্যাবসার শেযারের অংশ ও বাগদা চিংড়ির ঘের না পেয়ে কর্মহীন থাকার কারনে অভাবের তাড়নায় একএক করে প্রায় ৯ (নয়) বিঘা জমি বিক্রয় করে এসেছেন, যার ৪.৫ সাড়ে চার বিঘার উপর জমি ক্রয় করে নিজেদের কব্জায় রেখেছেন বড় দু’ভাই অভিযুক্ত মীর আব্দুর রাজ্জাক ও মীর রেজাউল হোসেন। অভিযোগকারী জানান ২বছর তলিয়ে থাকার পর ২০১১ সাল থেকে ২০১৫ সাল নাগাদ ছোটভাইকে কোন হারীর টাকাও পরিশোধ করেননি, তিনি শুধুমাত্র ছোভাইকে ঠকাননি, তার কালো হাত থেকে অন্যান্য ভাইবোনরাও নিস্তার পাননি। ১৯৮২ সালে তাদের বাবা মারা গেলেও অদ্যাবধি অন্যান্য ভাইবোনদের করো জমিজমার হিসাব বুঝে দেননি, কেউ জানেন না কোথায় কোন জমি আছে কে কতটুকু জমি পাবেন, ছোটভাইয়ের সাথে তারাও রাজপথের সাথী।


ছোট বোন রহিমা খাতুনের ডিডও নিয়েছেন বাদী, পৈত্রিক সম্পত্তি আছে ৬ ডিপিতে যার ২০৮ নং ডিপিতেই ১৩ একর ১৮ শতক জমির মধ্যে বোনকে দিয়েছেন মাত্র .০৩৭ অংশে ৪৮.৭ শতক জমি মাত্র, বাদবাকী ডিপির ব্যাপারে তিনি মুখে কুলুপ এটেছেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায় রহিমা খাতুনও বড় ভেইয়ের উপর বিরক্ত, দীর্ঘদিন যাবত হারীর টাকা না পেয়ে নিরুপায় হয়ে জমি বিক্রয় করবার কথা বলে ৮০.০০০ (আশি হাজার) টাকা নিয়েছেন বড় ভাইয়ের কাছ থেকে, যেজন্য তার জমিও বিবাদী দিচ্ছেন না, বলছেন টাকা শোধ না করলে অথবা জমি লিখে না দিলে জমিও পাবেনা হারীও পাবেনা। ছোটবোন রহিমা খাতুন তার নেয়া ৮০.০০০ (আশি হাজার) টাকা থেকে বিগত বকেয়া হারীর টাকা বাদ দিয়ে যে টাকা বড়ভাই পাবেন সেই টাকার পরিমানে জমি দিতে চাইলেও উনি (বড়ভাই) তা মানেননি। ভাবটা এমন বিচার মানছি তবে তাল গাছ আমার থাকবে।


বাদী অভিযোগ করেছেন তার নিজের ও ডিড করা জমি না দিয়ে বাদীকে না জানিয়েই একতরফা ভাবে ভিটাবাড়ী ও ঘের মাপজরিপ করে নিজের মতো করে রাস্তা দিয়েছেন এবং এখানেও তিনি তঞ্চকতার আশ্রয় নিয়েছেন, ভিটার সম্মুখভাগ তিনভাই সমান তিনঅংশ পাওয়ার কথা থাকলেও ছোটভাইকে তা না দিয়ে তিনি (ছোটভাই) যা পাবেন তার অর্ধেক দিয়েছেন।


এতোকিছু ঘটার পরও আপনি নিশ্চুপ কেন? কেন আপনি এতোদিন কোন আইনের আশ্রয় নেননি? প্রতিবেদকের এমন প্রশ্নে ফরিয়াদী মীর আজিজ হাসান জানালেন বড়ভাই একজন সমাজ সেবক পরপর দু’বার এলাকায় মেম্বারি করেছেন সমাজে তার একটা ইজ্জত আছে, তাকে বেইজ্জত করতে চাইনি কিন্ত তার ইজ্জত তিনি রাখছেন না, তাই আর পারছি না।


বাদীর বর্ণনায় তিনি বিবাদী কর্তৃক হুমকিধামকি, নিজে ও পারিবারিক নিরাপত্তাহীনতার মাঝে অতিকষ্টে কেশবপুরে ভাড়া বাসায় থেকে দু’মেয়ের পড়ার খরচ চালাতে হিমসিম খাচ্ছেন ও মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন। তিনি ঘেরের লভ্যাংসের ২.৫০০০০ (দুইলক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা, ১০বিঘা জমির হারী (৫x৫০০০) বাবদ ২.৫০০০০ (দুইলক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকাসহ নিজের ও ডিডকরা জমি ফিরে পাওয়া সহ সংশ্লিষ্ঠ নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের কাছে তার ও পারিবারিক নিরাপত্তা দাবী করেছেন।


এ রিপোর্ট লেখার সময় কেসের প্রস্ততি চলছিলো, এবিষয়ে অভিযুক্ত মীর আব্দুর রাজ্জাকের ব্যাবহৃত ০১৭২১ ১৯৫০** নম্বরে যোগাযোগ করা হলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।।

তারিখ: ০৬/০২/২০২২

মোবাইল নং- 01716 144548

Email: [email protected]০২২


Show more
0
23

অন্তহীন অন্তর্জালা

২০০৫ কি ২০০৬ সালের কথা সেজ ভাইয়ের বাগদা চিংড়ির ঘেরটি নজরুল ভাই রাতের আঁধারে কেটে নিজের ঘেরের সাথে এক করে দিয়েছে। কি আর করা লোকজন ম্যানেজ করে দিনের বেলাতেই ঐ ঘের আবার পূনর্দখল করি, আল্লাহপাকই জানেন কি ছিলো আমার ভুমিকা, আমি কি করেছি।


রাতে সেজভাই সারা ঘরে কাগজপত্র মেলে রেখে কোন একটা দলিল খুজতেছিলো হঠাৎ আমি যাওয়াতে তিনি অনেকটাই অপ্রস্তত হয়েছিলেন। আমি ভাবছিলাম এরকম তো কোনদিন দেখিনি হঠাৎ কেন এ পরিবর্তন? ভাবতেই আমার চোখ আটকে যায় একটা হলুদ রংয়ের নোটিশে যার বাদী-মীর আব্দুর রাজ্জাক বিবাদী- মীর আজিজ হাসান মানে আমি, কিন্ত এতো চোখের মাঝ থেকে সেটি সরাবো কিভাবে? কথা বলতে বলতেই পা দিয়ে বস্তটি সরায়ে হস্তহত করি।


কি ছিলো চিরকুটটাতে? না এটি মহামুল্যবান কিছু নয় একটা কেসের নোটিশ মাত্র, একজন বড়ভাই তার স্বীয় ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে কেস চালিয়েছে, কিন্ত প্রশ্ন হলো ১৯৮৫ সালের নোটিশ কেন ২০০৬/০৭ সালে দেখতে পাচ্ছি!! ১৯৮৫ সাল মানে তখন আমার বয়স ১২/১৩ বছর আর আমার নামে কেস চলে অথচ আমি নিজেই এ বিষয়ে কিছুই জানিনে। কারন সুপরিকল্পিতভাবে নিখুত ফর্মুলায় কেসটি করা হয়েছিলো ও নোটিশগুলি গায়েব করা হয়েছিলো। জানিনা কবে নাগাদ কেসটি করা বা কতোদিন কেসটি চলেছিলো, কি আদৌ তা নিস্পত্তি হয়েছে কিনা, আমি কিছুই জানতে পারিনি। আনেক ঘেটেছি কিছুই পাইনি, সুকৌসলে আদালতের সকল আলামত নষ্ট করা হয়েছে। বড় ইচ্ছা ছিলো কেসের আরজিতে কি ছিলো সেটি দেখার কিন্ত আমার সে আশা অপূর্নই রয়ে গেছে।


যখন ছোট ছিলাম মা’র মুখে অনেকবার শুনেছি ভিটাবাড়ী সহ ৪০বিঘা জমি আমাদের ছোট দু-ভাইকে বাবা দানপত্র করে গেছেন কিন্ত তা প্রবেট করার পূর্বেই তিনি (বাবা) পরলোকগত হয়েছেন। কেসের বাদীপক্ষ প্রভাবশালী কেউ কেউ প্রসাশনের কর্মকর্তা, মুখে যাই বলি দৈহিক, মানসিক সর্বোপরি বান্ডিল মারার ভয় তো আছেই … … … উকিলের পরামর্শ নিয়েছি এগোতে পারিনি কোন এক অজানা কারনে।


একটি প্রশ্নের উত্তর আজো মেলাতে পারিনি, যে কি করে বছরের পর বছর আদালতের নোটিশ গায়েব করা যায়, কিভাবে আদালতের সকল আলামত যেমন আরজি, শুনানী, রায় ও মামলার হাল হকিকত গায়েব করা যায় সর্বোপরি বিষয়টি ৪০ বছর কাল গোপন রাখা যায়। আর কেনইবা একজনের হক নষ্ট করে তাকে তার অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে হয় তা এখনও বুঝে আসেনা।


সীমাবদ্ধ জ্ঞানে বিষয়টি যে কতোটা গুরুত্বপূর্ন নাকি গুরুত্বহীন তা আর বোঝা হোল না, যা বুঝেছি তাহলো হয়তো পাগল সাজিয়েছে নয়তো মরবার আগেই আমাকে মেরে ফেলেছে, সত্যি ভাবতে অবাকই লাগে যে আমি মরেও এখনও বেঁচে আছি!!! আমি স্রোতের বিপরীতে চলা মানুষ না হলেও পারিবারিক ও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা যা আছে তাতে কালোকে-কালো আর সাদাকে-সাদা বলতে আমার বাঁধেনা। উইলের বিষয়ে আমার মৌনতার কারন ভিন্ন আমি বরাবরই মোটাকাপড় মোটাভাতে বাঁচতে চেয়েছি, আমি একা বাঁচতে চাইনি, পরিবারের সবাইকে নিয়ে বাঁচতে চেয়েছি, গাড়ী-বাড়ী আমি কোন কালেও চাইনি। আমার আর আমার বাচ্চাদের উপর অনেক অবিচার হয়েছে যা নিরবে সহ্য করে গেছি কিন্ত সহ্যের ও সীমা আছে, আর নিতে পারছিনা, নিরবধি মর্ম্মপীড়ায় জ্বলছি অন্তহীন সে জ্বলা।


নিন্দুকেরা নাক সিটকাবে সত্যি, কিন্ত কারো না কারো কলিজা যে বরফ হবে তা আমি নিশ্চিত, সেখনেই আমার স্বার্থকতা।। (ক্রমশঃ প্রকাশ্য)



Show more
0
15
https://avalanches.com/bd/kesabpur__1022921_17_11_2020

মাথার খুশকি দূর করার সবচেয়ে কার্যকরী উপায় কী?


আমরা অনেকেই কমবেশি খুশকির সমস্যায় ভুগে থাকি। খুশকি আসলে হচ্ছে আমাদের মাথার মরা চামড়া বা ডেড সেলস বলা যেতে পারে। খুশকি দূর করতে অনেক কিছুই ব্যবহার করা হয়।

আমি আপনাদের মাঝে এমন কতকগুলো টিপস্ শেয়ার করব যেগুলো ফলো করলে আপনি খুব সহজেই খুশকির সমস্যা থেকে চিরতরে মুক্তি পাবেন। খুশকি সমস্যা দূর করার জন্য নানান মানুষ নানান কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করে থাকে আমি সেই রকমই কয়েকটি পদ্ধতি আপনাদের মাঝে শেয়ার করার চেষ্টা করছি, তো চলুন শুরু করা যাক।


১) খুশকি দূর করতে নারিকেল তেল (খুশকি দূর করার উপায়)

নারিকেল তেল মাথার তালুর পানিশূন্যতা এবং খশকির প্রবণতা কমিয়ে দেয়। নারিকেল তেল আপনি তিন দিন পর পর ব্যাবহার করবেন। খেয়াল রাখবেন যেন খুব বেশী ও কম না হয়ে যায়। তাহলে আবার সমস্যা হবে।


২) খুশকি দূর করার উপায় (অ্যালোভেরা)

অ্যালোভেরার জেল ব্যাকটেরিয়া বা ফাঙ্গাস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

একটা ডাল ভেঙ্গে তার জেল চুলের গোড়ায় লাগিয়ে রেখে দিন ১০ থেকে ১৫ মিনিট তারপর স্বাভাবিক তাপমাত্রায় সেটি পানি দিয়ে পরিষ্কার করে ফেলুন। এতে আপনার খুশকি দূর হয়ে যাবে। অ্যান্টি ড্যানড্রাফ শ্যাম্পু ব্যবহার না করে।


৩) অ্যান্টি ড্যানড্রাফ শ্যাম্পু ব্যবহার না করা

আমরা হয়তো জানি না অ্যান্টি ড্যানড্রাফ শ্যাম্পু ব্যবহার করার ফলে তার রাসায়নিক পদার্থ যেটা রয়েছে সেটা আমাদের মাথার মাথার ত্বকের ভারসাম্য নষ্ট করে। তাই এখন থেকে নর্মাল anti-dandruff শ্যম্পু গুলো ব্যবহার বন্ধ করে দিন, এতে খুশকির সমস্যা থেকে চিরতরে মুক্তি পাবেন।


৪) ভাল অর্গানিক শ্যাম্পু ব্যবহার করুন

বাজারে অনেক ধরনের ভালো অর্গানিক শ্যাম্পু পাওয়া যায় যেমন রোজমেরি, সেইস জজোজা, টি ট্রি, এসেনশিয়াল তেল ইত্যাদি। এগুলো সাধারণত আমাদের ত্বকের মেটাবলিজম বাড়ায় এবং স্ট্রং এন্টিফাঙ্গাল উপাদান রয়েছে এগুলোর মাঝে। মাথার তেল উৎপাদনে ভারসাম্য রক্ষা করে থাকে এসব অর্গানিক শ্যাম্পুগুলো এবং বাজে কিছু রাসায়নিক থেকে পুরোপুরি মুক্ত তাই আপনি বাজার থেকে কোন ভাল অর্গানিক শ্যম্পু কিনে এনে ব্যবহার করুন। এতে আপনার খুশকির সমস্যা আর হবে না।


৫) টেনশন না করা (খুশকি দূর করার উপায়)

সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে টেনশন বা চিন্তা করলে মাথার খুশকি বেড়ে যায় তাই সবসময় টেনশন বা চিন্তা মুক্ত থাকার চেষ্টা করুন এতে খুশকির পরিমাণ কমে যাবে।


৬) শ্যাম্পু ব্যবহার করা কমিয়ে দিতে হবে সপ্তাহে দুইবার শ্যাম্পু ব্যবহার করতে হবে।


৭) ঠান্ডা পানি দিয়ে মাথা পরিষ্কার করতে হবে।


৮) টি ট্রি অয়েল

এই টি ট্রি অয়েল এ রয়েছে মাইক্রোবিয়াল এবং অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান যা খুশকি দূর করতে কার্যকরী। আমরা সাধারণত আঙ্গুল দিয়ে যে ভাবে তেল ব্যবহার করে থাকি ঠিক সেইভাবেই ব্যবহার করতে হবে এটি।


৯) গোসলের আগে নারিকেল তেল ব্যবহার

আপনাদের জন্য রয়েছে আরও একটি কার্যকরী টিপস সেটি হল আপনি গোসল করার ৩০ মিনিট আগে খুব ভালো করে নারিকেল তেল চুলের মধ্যে লাগিয়ে নিন তারপর ভালো করে মেসেজ করুন তারপর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি ব্যবহার করবেন সপ্তাহে 2 থেকে 3 বার, দেখবেন আপনার খুশকির সমস্যা দূর হয়ে গেছে।


১০) খুশকি দূর করতে নিমপাতা

নিমপাতাতে রয়েছে এন্টিফাঙ্গাল ও এন্টিব্যাক্টেরিয়াল উপাদান যা চুল পড়া দূর করতে খুব কার্যকর। চুলের যত্নে এটা অনেক প্রাচীনকাল থেকেই ব্যবহার হয়ে আসছে। প্রথমে কয়েক কাপ পানির সাথে কিছু নিম পাতা সিদ্ধ করে নিন। এরপর ঠন্ডা হলে এগুলো দিয়ে মাথা পরিষ্কার করে ফেলুন বা নিম পাতা বেঁটে মাথায় লাগিয়ে ১ ঘণ্টা অপেক্ষা করুন। এরপর পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে খুশকি দূর হয়ে যাব।


উপরোক্ত নিয়মগুলো ছাড়াও আপনি এই ওষুধগুলো ব্যবহার করতে পারেন:


Nyclobet shampoo plus ketocon shampoo mixed

every alternate day keep it for 5 minutes during taking bath.


Clarizol solution at night.

Show more
0
47
Other News Kesabpur
https://avalanches.com/bd/kesabpur__1020571_16_11_2020

মেছতা স্থায়ীভাবে দূর করার উপায়


মেছতা ত্বকের একটি অন্যতম সমস্যা। সাধারণত ৩০ বছর বয়সের পর মেয়েদের ত্বকে মেছতা বেশি দেখা যায় যদিও ইহা নারী ও পুরুষ সবার ত্বকে দেখা দিতে পারে। মেছতার কারণে ত্বকের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা নষ্ট হয় এবং নারীরা মানসিকভাবে দুঃশ্চিন্তাগ্রস্থ হয়ে পড়ে। বাংলাদেশে মেছতা ত্বকের একটি Common সমস্যা। আজকে চলুন মেছতা নিয়ে বিস্তারিত জানা যাক।


মেছতা কি ?

মানুষের ত্বকে মেলানিন নামক একটি উপাদান থাকে যার উপস্থিতির কারণে ত্বক ফর্সা বা কালো হয়। বয়সের সাথে সাথে আমাদের ত্বকের মেলানিন এর ভারসাম্যতা নষ্ট হয় এবং ত্বকের কোনো অংশে মেলানিনের অধিক উপস্থিতির কারণে ত্বক বেশি কালো দেখায়। মেছতা একটি বিশেষ ধরণের (Pigmentation). মেছতার কারণে ত্বকের স্বাভাবিক সৌন্দর্য্য নষ্ট হয়, কিন্তু ইহা ত্বকের জন্য বিশেষ ক্ষতিকর নয়।


মেছতা শরীরের কোথায় দেখা যায়?

মেছতা শরীরের বিভিন্ন স্থানে দেখা যেতে পারে। কিন্তু সাধারণত গালে মেছতা খুব বেশি দেখা যায়। এছাড়াও নাকের উপরে গলায়, ঘাড়ে ইত্যাদি অংশেও মেছতা দেখা যেতে পারে।


মেছতা কি কি কারণে দেখা যেতে পারে ?

বিভিন্ন কারণে ত্বকে মেছতা দেখা দিতে পারে। সাধারণত সন্তান জন্মদানের পর মেছতা বেশি দেখা যায়। এছাড়াও রোদে বেশি সময় থাকলে, ত্বকের হরমোনের পরিবর্তনের ফলে বা বংশগত কারণেও ত্বকে মেছতা দেখা যেতে পারে। মেছতার অন্যতম মূল কারণ হল নিয়মিত ত্বক পরিষ্কার না রাখা। ত্বক নিয়মিত পরিষ্কার না করার কারণে মৃত কোষ ত্বকে অনেকদিন ধরে জমা হতে থাকে এবং ত্বকে মেছতা পড়ে যেতে পারে।


মেছতার প্রতিকার


  • ত্বক নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে।
  • বেশি বেশি পানি পান করতে হবে
  • বেশি পরিমানে চিনি বা জাল না খাওয়াই ভালো।
  • জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল না খাওয়া ভালো।


রোদে বের হবার পূর্বে অবশ্যই Suncream ব্যবহার করতে হবে। আপনার জন্য কোন Suncream প্রযোজ্য হবে তা আপনার ত্বকের ধরণের উপর নির্ভর করবে। Suncream রোদে যাওয়ার ২০ মিনিট পূর্বে লাগাতে হবে এবং ২ ঘন্টা পর পর পূর্বের Suncream ধুয়ে নতুন করে লাগাতে হবে।


মেছতার চিকিৎসা ?

ত্বকের নিয়মিত যত্নই হতে পারে খুব ভালো চিকিৎসা। তবে, যেহেতু মেছতা অনেক সময় হরমোনের তারতম্যের কারণে হয়ে থাকে, তাই অনেক সময় ত্বকের মেছতা নিয়ন্ত্রণ করা খুবই কঠিন। প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসা নিলে মেছতা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়ে থাকে। এই জন্য যত তাড়াতাড়ি সম্ভব, চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উত্তম। তবে মেছতা সমস্যায় কিছু কিছু ট্রিটমেন্ট খুই কার্য্যকরী যেমন :

মাইক্রোডার্মাব্রেশন : মাইক্রোডার্মাব্রেশন মূলত একটি Exfoliation পদ্ধতি। এই মাইক্রোডার্মাব্রেশন এর মাধ্যমে উপরিত্বকের মৃতকোষ সমূহ অপসারণ করা হয়, ফলে ত্বক নিয়মিত পরিষ্কার থাকে, তাই ত্বকে মেছতা জমতে পারে না।


Bio-Hydrafacial: Bio-Hydrafacial ত্বকের মেছতা দূর করতে অত্যন্ত কার্যকরী একটি প্রযুক্তি। এই ট্রিটমেন্ট এর প্রথমেই মাইক্রোডার্মাব্রেশন করানো হয় এবং একইসাথে ত্বকের মেছতা দূর করার জন্য কার্যকরী সিরাম যেমন ল্যাকটিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ সেরাম দিয়ে ত্বক পরিষ্কার করা হয়। এরপর ভিটামিন বি সমৃদ্ধ সিরাম দিয়ে ত্বকের অতিরিক্ত মেলানিন কমিয়ে দেয়, এবং এই সেরামের অন্যান্য উপাদান ত্বককে Nourish এবং Moisture প্রদান করে, ফলে ত্বক খুব ভালোভাবে পরিষ্কার হয় এবং মেছতা সহ ত্বকের অন্যান্য সমস্যা চলে যায়।


ভিটামিন সি সিরাম: এই সেরামের Nutrients সরাসরি ত্বকে পুষ্টি যোগায় এবং আন্টি অক্সিডেন্ট উপাদান সমূহ ত্বকের পিগমেন্টেশন কমিয়ে দেয় যা ত্বকের মেছতা সমস্যায় খুবই কার্যকরী হয়।


ফর্সাকারী ক্রিম: মেছতা সমস্যার জন্য আপনি ন্যাচারাল Ingredients যুক্ত Melanyc ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন। দেখে নিতে হবে যে ক্রিমে Chromabright®, Kojic Acid, Phytic Acid, Glycolic Acid, Arbutin, Vitamin C, Nicotinamide আছে কি না ? এসব উপাদান ত্বকের মেলানিন নিয়ন্ত্রণ করে মেছতা দূর করতে সাহায্য করে।।

undefined


Show more
0
91
https://avalanches.com/bd/kesabpur__1020562_16_11_2020

ছুলি থেকে মুক্তির উপায়


বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ‘ছুলি’, ‘ছইদ’ বা ‘ছলম’ ইত্যাদি নানা নামে পরিচিত চর্মরোগটিকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে বলা হয় টিনিয়া ভারসিকলার। এটি এক প্রকার ছত্রাকের সংক্রমণ। এ রোগে ঘাড়ে, বুকে, পিঠে ও শরীরের অন্যান্য উন্মুক্ত অংশে সাদা বা বাদামি গাঢ় বা হালকা ছোট ছোট দাগের মতো হয়।


স্যাঁতসেঁতে ও গরম আবহাওয়ায় এ ছত্রাকের আক্রমণ বেশি হয়। দেহের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমে গেলে, স্টেরয়েড ট্যাবলেট সেবনেও ছুলি হতে পারে। অনেকে যেখানে একত্রে থাকে, জিনিসপত্র ব্যবহার করে, সেখানে এই ছত্রাকের সংক্রমণ দ্রুত ছড়ায়। যেমন: মেস, ব্যারাকে, ডরমিটরি, হোস্টেল ইত্যাদিতে। এক পরিবারের একজনের ছুলি হলে অন্য সদস্যরাও আক্রান্ত হতে পারে।


সাধারণত ত্বকের দাগগুলো ভালো করে দেখেই রোগ নির্ণয় করা যায়। চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ খেলে এই রোগ সম্পূর্ণ ভালো হয়ে যায়।


রোগের আক্রমণ এড়াতে কী করবেন?


 স্যাঁতসেঁতে আর্দ্র আবহাওয়ায় যথেষ্ট পরিচ্ছন্ন থাকুন।


 শরীরের যেসব স্থানে ঘাম বেশি হয় সেসব স্থান বারবার ধুয়ে পরিষ্কার ও শুকনো রাখুন। গরমের দিন রোজ একবার বা দুবার গোসল করুন। ঘামে ভেজা পোশাক পাল্টে ফেলুন ও না ধুয়ে আর ব্যবহার করবেন না।


 অন্যের ব্যবহৃত তোয়ালে, রুমাল ইত্যাদি ব্যবহার করবেন না।


 একাধিক ব্যক্তি কখনো একই ক্ষুরে মাথা বা দাঁড়ি কামাবেন না।


ছুলি আবহাওয়া পরিবর্তনের সময় ত্বকে দেখা যায়। আবার নিজে থেকে চলে যায়, অনেক সময় যেতে চায় না। এটি ছত্রাকের সংক্রমণ, ঘরোয়া পদ্ধতিতে লেবুর রস বা টম্যাটো পেস্ট করে অথবা পেঁয়াজ কুচি ত্বক এর ওই সব জায়গায় ঘষলে দাগ হালকা হতে পারে।


ঘরোয়াভাবে ভেষজ উপায়েও ছুলি থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব সেক্ষেত্রে নিচের যেকোন পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন।


লেবুর রস:- ছুলি বা বাদামী দাগ দূরীকরণে লেবুর রস অত্যন্ত কার্যকরী। লেবুর রসে চামড়ার রঙ হালকা করার উপাদান আছে যা ত্বকের গাঢ় দাগ দূর করে ব্লিচের মাধ্যমে। লেবুর রস চিপে নিয়ে আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে ভালো ভাবে ম্যাসাজ করুন। ১৫-২০ মিনিট পর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন দুইবার এটি করুন। আরেকটি পদ্ধতি হচ্ছে লেবুর স্ক্রাব। একটি লেবুর অর্ধেকটা অংশ কেটে নিয়ে তার উপর আধা চামচ চিনি ছিটিয়ে নিন। তারপর এটি আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে ম্যাসাজ করতে থাকুন। কয়েক মিনিট ম্যাসাজ করার পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এভাবে এক বা দুই সপ্তাহ নিয়মিত করুন।


লেবুর রস: যেখানে ছুলি হয়েছে সেখানে একটু লেবু ঘসে দিন। পরে সেখানে sodium thiosulphate solution (জলে sodium thiosulphate গুলে about 5% solution বানাবেন) লাগান তুলোতে ভিজিয়ে। দিনে এই প্রক্রিয়া দুই বার করবেন, একবার স্নানের পর আর একবার শোবার পূর্বে। এই রকম করতে থাকুন, আস্তে আস্তে দেখবেন ছুলি সেরে যাচ্ছে। ছুলির fungus sodium thiosulphate এ মরে যায়।।


Show more
0
37
https://avalanches.com/bd/kesabpur__1020104_16_11_2020
https://avalanches.com/bd/kesabpur__1020104_16_11_2020

চুলের যত্নে অ্যালোভেরা


অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারীর নানা গুণ অনেকেরই জানা। চুলের যত্নেও অ্যালোভেরার আছে নানা ভূমিকা। এভারগ্রিন অ্যাডামস অ্যান্ড ইভের রূপবিশেষজ্ঞ নাহিদ আফরোজ তানি জানালেন অ্যালোভেরার সেসব গুণ।


চুল মজবুত ও লম্বা করতে অ্যালোভেরা বেশ কার্যকর।চুল মজবুত ও লম্বা করতে ভেষজ এ গাছটি ব্যবহার হয়ে আসছে হাজার বছর আগে থেকে।


খুশকি দূর করে

অ্যালোভেরা জেলে রয়েছে ছত্রাকবিরোধী এবং জীবাণুনাশক উপাদান, যা মাথার ত্বকের চুলকানি প্রতিরোধ করে। ফলে খুশকি থেকে মুক্ত থাকে চুল।


প্রাকৃতিক কন্ডিশনার

অ্যালোভেরায় রয়েছে বিশেষ ধরনের ময়েশ্চারাইজার, এটি আপনার চুলে কাজ করে প্রাকৃতিক কন্ডিশনার হিসেবে এবং চুলের আর্দ্রতা ধরে রাখে।

চুল পড়া কমায়

প্রোটিন, ভিটামিন ও মিনারেলে ভরপুর অ্যালোভেরা চুলের ফলিকলকে পরিপুষ্ট করে চুল পড়া কমায়। চুল দ্রুত বড় হতেও সাহায্য করে।


অ্যালোভেরা ব্যবহারের নিয়ম


♦ চাইলে সরাসরিই চুলের গোড়ায় ব্যবহার করতে পারেন অ্যালোভেরা জেল।


যা করতে হবে: অ্যালোভেরার ডাল কেটে চামচ দিয়ে জেলটুকু তুলে নিন, এবার সরাসরি মাথার ত্বকে এক ঘণ্টা লাগিয়ে রেখে দিন, এরপর মৃদু (মাইল্ড) কোনো শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দু-তিন দিন ব্যবহারে উপকার পাবেন।


♦ নারকেল তেল, ক্যাস্টর অয়েল কিংবা মধু মিশিয়েও ব্যবহার করতে পারেন অ্যালোভেরা জেল। পরিমাণ মতো মিশ্রণটি নিয়ে চুলে লাগিয়ে রেখে দিন সারা রাত, পরের দিন শ্যাম্পু করার পর পাবেন ঝরঝরে মসৃণ চুল। চুল লম্বা করতে এই মিশ্রণ দারুণ কার্যকর, ব্যবহার করুন সপ্তাহে এক থেকে দুই দিন।


♦ তেল ছাড়া অ্যালোভেরার সঙ্গে ব্যবহার করা যায় লেবুর রস, পেঁয়াজের রস, অ্যাপল সাইডার ভিনেগার ও বেকিং সোডা। আপনার চুলের পরিমাণ অনুসারে মিশ্রণ তৈরি করে ব্যবহার করতে পারেন সপ্তাহে এক থেকে দুবার। এ ক্ষেত্রে মিশ্রণটি চুলের গোড়ায় লাগিয়ে রাখতে হবে ২০ থেকে ৩০ মিনিট।


♦ যারা নিয়মিত চুলে মেহেদি লাগান, তারা চাইলে মেহেদির সঙ্গেও ব্যবহার করতে পারেন অ্যালোভেরা জেল।

মনে রাখবেন


♦ উপকারী হলেও অ্যালোভেরা কারো কারো ত্বকে অ্যালার্জি সৃষ্টি করতে পারে। তাই চুলে ব্যবহারের আগে হাতের কবজিতে কিছুটা অ্যালোভেরা জেল নিয়ে লাগিয়ে দেখুন।

প্রদাহ, র‍্যাশ বা অন্য কোনো সমস্যা হলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।।

Show more
0
35
Other News Bangladesh
https://avalanches.com/bd/panchagarh__1925648_09_04_2022

কলিজার বন্ধু💔


বড়ই টালমাটাল অবস্থা এখন আমার । কিছুই বুঝে উঠতে পারছিনা । কোনটা সঠিক কোনটা বেঠিক ,কোনটা আমার কোনটা তোমার, বিশ্বাসের ভিত্তিটা নড়বড়ে হতে হতে একদম তলানিতে ঠেকেছে। মন খুলে কথা বলার মত মানুষের বড়ই অভাব । সত্য মিথ্যা যাচাইয়ের আগেই বৈশাখী ঝড় জানো নেমে আসে, দ্রব্যমূল্যের দাম যেমন ওঠানামা করে ঠিক তেমনি এখন মানুষগুলো তাদের বিচার বিশ্লেষণ করতে একই রূপে রূপান্তরিত হয়। ভাবতেই অবাক লাগে সত্যটা জানার পরও মিথ্যার ডুগডুগি বাঁচাতে ব্যস্ত মানুষ, আগের পাড়া-মহল্লায় দু একটা লোক পাওয়া যেত, পরের আলোচনায় ব্যস্ত থাক তে, এখন হাট বসেছে কে কাকে ধরে কত নিচে নামাবে তার প্রতিযোগিতা চলছে। রাজনীতি এখন দাবার গুটির মত চালেই সীমাবদ্ধ। ভালো মন্দের বিচার বিশ্লেষণ প্রয়োজন নেই তেলবাজি হুক্কা হুয়া, এই অসম প্রতিযোগিতায় অনেক ভালো মানুষ মাথা নিচু করে আত্মসম্মানের ভয়ে গুটিয়ে নিচ্ছে নিজেকে। এখন নির্লজ্জ বেহায়া অশিক্ষিত পেশিশক্তি তেলবাজরা অসৎ উপায়ে উপার্জনের জন্য মরিয়া হয়ে একপ্রকার মরিয়া হয়ে হায়নার মত রাজনীতির দিকে ধাবিত হচ্ছে, ফলে সমাজে যাদের মূল্য পাওয়ার কথা তারা মূল্যহীন হয়ে পড়ছে। এরই মধ্যে সমাজের বিভিন্ন স্তরে সামাজিক অস্থিরতা অসংগতি এবং এর কুপ্রভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে,। তাই নিজেকে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে হয়, এত অসঙ্গতি পরিলক্ষিত হচ্ছে যে সমাজের বিত্তবান সুশীল সমাজ আমলা রাজনীতিবিদ সহ সব স্তরে যেন অবিশ্বাস এবং জনগণের সাথে একটা বিরাট দূরত্ব দেখা দিয়েছে যা বারে বারে পিড়া দেয়, একটা বিরাট আস্থাহীনতা দেখা দিয়েছে এই মনে। তাই বলতেই হয় বেসামাল হয়ে গেছি হয়ে গেছি টালমাটাল।


লেখক

মজা দার

১৬.০৩.২২ পঞ্চগড় ।

Show more
0
3
https://avalanches.com/bd/pirgaaj__1925647_09_04_2022

আত্যহত্যা কোনো সমস্যার সমাধান হতে পারে না।


বেচে থেকে মসস্যার সমাধান খুজতে হয়।

সেই অনুযায়ী জিবন পরিচালনা করতে হয়।

আরে আজ কে তোমার পাশে আছে আর না আছে তা বড় ফ্যাক্ট না।

কারন জিবন কারো জন্য থেমে থাকে না।

তুমি একটা জিনিস মনে রাখবা, প্রিথিবিতে কেউ আপন না।সে হোক বাবা,মা,ভাই,বোন কেউ না।


আমি জানি ভাই আপনি এতিম। এবং সবাই আপনার পরিবার এখন হয়তো হেট করে কোনো হয়তো কারনে।

কিন্তু তাই বলে যে মরে গিয়ে তার সমাধান করবেন, সেটা কোনো সমাধান না।বেচে থেকে সমাধান করতে হবে।🤚

Show more
0
10
Other world news
https://avalanches.com/ru/kazan_v_kazany_sotrudnyky_spetspodrazdelenyi_roshvardyy_provely_pokazatelno1965461_04_05_2022
https://avalanches.com/ru/kazan_v_kazany_sotrudnyky_spetspodrazdelenyi_roshvardyy_provely_pokazatelno1965461_04_05_2022

В Казани сотрудники спецподразделений Росгвардии провели показательное занятие для студентов юридического института


Сотрудники казанского ОМОН и СОБР Управления Росгвардии по Республике Татарстан организовали экскурсию и выездное занятие для студентов казанского филиала Всероссийского государственного университета юстиции.

В преддверии празднования Дня Победы в расположении ОМОН «Ак Барс» Управления Росгвардии по РТ состоялось выездное военно-патриотическое занятие для студентов казанского филиала Всероссийского государственного университета юстиции. В проведении занятий приняли участие также сотрудники СОБР «Тимер Батыр» и кинологи МВД по Республике Татарстан. Будущие юристы, большинство из которых проходят обучение на кафедре уголовного процесса и криминалистики, задавали много вопросов и интересовались различными подробностями.

Студентам показали практическую работу кинологов с собаками при поиске запрещённых веществ, опасных предметов, а также при задержании преступников. Затем вниманию гостей представили выставку вооружения и специальной техники спецподразделения Росгвардии, подробно рассказали о назначении и особенностях каждого элемента экспозиции. Сотрудники СОБР продемонстрировали мастерство в высотной подготовке, выполнив эффектные спуски с 20-метрового здания.

«Для нас было очень важно провести выездные занятия именно в боевом подразделении Росгвардии, чтобы студенты лично пообщались с правоохранителями, которые стоят на переднем крае борьбы с преступностью и терроризмом», - отметил доцент кафедры уголовного процесса и криминалистики Газинур Хуснетдинов.

В завершение мероприятия с гостями провели патриотическую беседу и показали документальный фильм о войсках национальной гвардии Российской Федерации.

Show more
1
24
https://avalanches.com/ru/kazan_voenni_orkestr_kazanskoho_polka_roshvardyy_obespechyl_muzkalnoe_sop1965460_04_05_2022
https://avalanches.com/ru/kazan_voenni_orkestr_kazanskoho_polka_roshvardyy_obespechyl_muzkalnoe_sop1965460_04_05_2022
https://avalanches.com/ru/kazan_voenni_orkestr_kazanskoho_polka_roshvardyy_obespechyl_muzkalnoe_sop1965460_04_05_2022
https://avalanches.com/ru/kazan_voenni_orkestr_kazanskoho_polka_roshvardyy_obespechyl_muzkalnoe_sop1965460_04_05_2022
https://avalanches.com/ru/kazan_voenni_orkestr_kazanskoho_polka_roshvardyy_obespechyl_muzkalnoe_sop1965460_04_05_2022

Военный оркестр казанского полка Росгвардии обеспечил музыкальное сопровождение Пасхального бала в столице Татарстана

В Казанской ратуше состоялся первый республиканский Пасхальный бал в котором приняли участие более трёхсот юношей и девушек со всей республики. В просторном холле исполнялись исторические танцы, которые танцевали на первых балах, учреждённых Петром Первым.

Музыкальное сопровождение мероприятия осуществлял военный оркестр казанского специального моторизованного полка Приволжского округа войск национальной гвардии Российской Федерации под управлением заслуженного артиста Республики Татарстан майора Вадима Кравчука. Военные музыканты на высоком профессиональном уровне исполнили знаменитые вальсы и произведения русской классической музыки.

Show more
0
9