এর সকল প্রকাশনা Mir Aziz Hasan । Keshabpur , বাংলাদেশ

Publications
https://avalanches.com/bd/keshabpur__1906359_06_02_2022
https://avalanches.com/bd/keshabpur__1906359_06_02_2022
https://avalanches.com/bd/keshabpur__1906359_06_02_2022
https://avalanches.com/bd/keshabpur__1906359_06_02_2022
https://avalanches.com/bd/keshabpur__1906359_06_02_2022

শ্যামনগরের গাবুরা ইউনিয়নে বড়ভাই কর্তৃক ছোটভাইকে ঘেরের হিস্যা না দিয়ে ঘের জবরদখলে রাখা ও সম্পত্তি গ্রাস করার অভিযোগ উঠেছে


মীর আজিজ হাসান, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি।


শ্যামনগর থানার গাবুরায় বড়ভাই মীর আব্দুর রাজ্জাক কর্তৃক আপন ছোটভাই মীর আজিজ হাসানকে বাগদা চিংড়ি ঘেরের হিস্যা না দিয়ে ঘের জবরদখলে রাখা ও সম্পত্তি গ্রাস করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।


২০০৯ সালে গাবুরা তলিয়ে যাওয়ার পর ২০১১ সালে মুল বাঁধের কাজ শেষ হলেও ঘেরটি ছোটভাইকে না দিয়ে টালবাহানা শুরু করেন এবং অদ্যাবধি ঘেরটি ছোটভাইয়ের অনুকুলে বুঝে দেননি, এরই মাঝে অভিযোগকারী ছোটভাই ২০১২ সালে স্ব-পরিবারে কেশবপুর উপজেলায় চলে আসেন। যৌথ ব্যাবসার শেযারের অংশ ও বাগদা চিংড়ির ঘের না পেয়ে কর্মহীন থাকার কারনে অভাবের তাড়নায় একএক করে প্রায় ৯ (নয়) বিঘা জমি বিক্রয় করে এসেছেন, যার ৪.৫ সাড়ে চার বিঘার উপর জমি ক্রয় করে নিজেদের কব্জায় রেখেছেন বড় দু’ভাই অভিযুক্ত মীর আব্দুর রাজ্জাক ও মীর রেজাউল হোসেন। অভিযোগকারী জানান ২বছর তলিয়ে থাকার পর ২০১১ সাল থেকে ২০১৫ সাল নাগাদ ছোটভাইকে কোন হারীর টাকাও পরিশোধ করেননি, তিনি শুধুমাত্র ছোভাইকে ঠকাননি, তার কালো হাত থেকে অন্যান্য ভাইবোনরাও নিস্তার পাননি। ১৯৮২ সালে তাদের বাবা মারা গেলেও অদ্যাবধি অন্যান্য ভাইবোনদের করো জমিজমার হিসাব বুঝে দেননি, কেউ জানেন না কোথায় কোন জমি আছে কে কতটুকু জমি পাবেন, ছোটভাইয়ের সাথে তারাও রাজপথের সাথী।


ছোট বোন রহিমা খাতুনের ডিডও নিয়েছেন বাদী, পৈত্রিক সম্পত্তি আছে ৬ ডিপিতে যার ২০৮ নং ডিপিতেই ১৩ একর ১৮ শতক জমির মধ্যে বোনকে দিয়েছেন মাত্র .০৩৭ অংশে ৪৮.৭ শতক জমি মাত্র, বাদবাকী ডিপির ব্যাপারে তিনি মুখে কুলুপ এটেছেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায় রহিমা খাতুনও বড় ভেইয়ের উপর বিরক্ত, দীর্ঘদিন যাবত হারীর টাকা না পেয়ে নিরুপায় হয়ে জমি বিক্রয় করবার কথা বলে ৮০.০০০ (আশি হাজার) টাকা নিয়েছেন বড় ভাইয়ের কাছ থেকে, যেজন্য তার জমিও বিবাদী দিচ্ছেন না, বলছেন টাকা শোধ না করলে অথবা জমি লিখে না দিলে জমিও পাবেনা হারীও পাবেনা। ছোটবোন রহিমা খাতুন তার নেয়া ৮০.০০০ (আশি হাজার) টাকা থেকে বিগত বকেয়া হারীর টাকা বাদ দিয়ে যে টাকা বড়ভাই পাবেন সেই টাকার পরিমানে জমি দিতে চাইলেও উনি (বড়ভাই) তা মানেননি। ভাবটা এমন বিচার মানছি তবে তাল গাছ আমার থাকবে।


বাদী অভিযোগ করেছেন তার নিজের ও ডিড করা জমি না দিয়ে বাদীকে না জানিয়েই একতরফা ভাবে ভিটাবাড়ী ও ঘের মাপজরিপ করে নিজের মতো করে রাস্তা দিয়েছেন এবং এখানেও তিনি তঞ্চকতার আশ্রয় নিয়েছেন, ভিটার সম্মুখভাগ তিনভাই সমান তিনঅংশ পাওয়ার কথা থাকলেও ছোটভাইকে তা না দিয়ে তিনি (ছোটভাই) যা পাবেন তার অর্ধেক দিয়েছেন।


এতোকিছু ঘটার পরও আপনি নিশ্চুপ কেন? কেন আপনি এতোদিন কোন আইনের আশ্রয় নেননি? প্রতিবেদকের এমন প্রশ্নে ফরিয়াদী মীর আজিজ হাসান জানালেন বড়ভাই একজন সমাজ সেবক পরপর দু’বার এলাকায় মেম্বারি করেছেন সমাজে তার একটা ইজ্জত আছে, তাকে বেইজ্জত করতে চাইনি কিন্ত তার ইজ্জত তিনি রাখছেন না, তাই আর পারছি না।


বাদীর বর্ণনায় তিনি বিবাদী কর্তৃক হুমকিধামকি, নিজে ও পারিবারিক নিরাপত্তাহীনতার মাঝে অতিকষ্টে কেশবপুরে ভাড়া বাসায় থেকে দু’মেয়ের পড়ার খরচ চালাতে হিমসিম খাচ্ছেন ও মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন। তিনি ঘেরের লভ্যাংসের ২.৫০০০০ (দুইলক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা, ১০বিঘা জমির হারী (৫x৫০০০) বাবদ ২.৫০০০০ (দুইলক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকাসহ নিজের ও ডিডকরা জমি ফিরে পাওয়া সহ সংশ্লিষ্ঠ নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের কাছে তার ও পারিবারিক নিরাপত্তা দাবী করেছেন।


এ রিপোর্ট লেখার সময় কেসের প্রস্ততি চলছিলো, এবিষয়ে অভিযুক্ত মীর আব্দুর রাজ্জাকের ব্যাবহৃত ০১৭২১ ১৯৫০** নম্বরে যোগাযোগ করা হলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।।

তারিখ: ০৬/০২/২০২২

মোবাইল নং- 01716 144548

Email: [email protected]০২২


Show more
0
22

অন্তহীন অন্তর্জালা

২০০৫ কি ২০০৬ সালের কথা সেজ ভাইয়ের বাগদা চিংড়ির ঘেরটি নজরুল ভাই রাতের আঁধারে কেটে নিজের ঘেরের সাথে এক করে দিয়েছে। কি আর করা লোকজন ম্যানেজ করে দিনের বেলাতেই ঐ ঘের আবার পূনর্দখল করি, আল্লাহপাকই জানেন কি ছিলো আমার ভুমিকা, আমি কি করেছি।


রাতে সেজভাই সারা ঘরে কাগজপত্র মেলে রেখে কোন একটা দলিল খুজতেছিলো হঠাৎ আমি যাওয়াতে তিনি অনেকটাই অপ্রস্তত হয়েছিলেন। আমি ভাবছিলাম এরকম তো কোনদিন দেখিনি হঠাৎ কেন এ পরিবর্তন? ভাবতেই আমার চোখ আটকে যায় একটা হলুদ রংয়ের নোটিশে যার বাদী-মীর আব্দুর রাজ্জাক বিবাদী- মীর আজিজ হাসান মানে আমি, কিন্ত এতো চোখের মাঝ থেকে সেটি সরাবো কিভাবে? কথা বলতে বলতেই পা দিয়ে বস্তটি সরায়ে হস্তহত করি।


কি ছিলো চিরকুটটাতে? না এটি মহামুল্যবান কিছু নয় একটা কেসের নোটিশ মাত্র, একজন বড়ভাই তার স্বীয় ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে কেস চালিয়েছে, কিন্ত প্রশ্ন হলো ১৯৮৫ সালের নোটিশ কেন ২০০৬/০৭ সালে দেখতে পাচ্ছি!! ১৯৮৫ সাল মানে তখন আমার বয়স ১২/১৩ বছর আর আমার নামে কেস চলে অথচ আমি নিজেই এ বিষয়ে কিছুই জানিনে। কারন সুপরিকল্পিতভাবে নিখুত ফর্মুলায় কেসটি করা হয়েছিলো ও নোটিশগুলি গায়েব করা হয়েছিলো। জানিনা কবে নাগাদ কেসটি করা বা কতোদিন কেসটি চলেছিলো, কি আদৌ তা নিস্পত্তি হয়েছে কিনা, আমি কিছুই জানতে পারিনি। আনেক ঘেটেছি কিছুই পাইনি, সুকৌসলে আদালতের সকল আলামত নষ্ট করা হয়েছে। বড় ইচ্ছা ছিলো কেসের আরজিতে কি ছিলো সেটি দেখার কিন্ত আমার সে আশা অপূর্নই রয়ে গেছে।


যখন ছোট ছিলাম মা’র মুখে অনেকবার শুনেছি ভিটাবাড়ী সহ ৪০বিঘা জমি আমাদের ছোট দু-ভাইকে বাবা দানপত্র করে গেছেন কিন্ত তা প্রবেট করার পূর্বেই তিনি (বাবা) পরলোকগত হয়েছেন। কেসের বাদীপক্ষ প্রভাবশালী কেউ কেউ প্রসাশনের কর্মকর্তা, মুখে যাই বলি দৈহিক, মানসিক সর্বোপরি বান্ডিল মারার ভয় তো আছেই … … … উকিলের পরামর্শ নিয়েছি এগোতে পারিনি কোন এক অজানা কারনে।


একটি প্রশ্নের উত্তর আজো মেলাতে পারিনি, যে কি করে বছরের পর বছর আদালতের নোটিশ গায়েব করা যায়, কিভাবে আদালতের সকল আলামত যেমন আরজি, শুনানী, রায় ও মামলার হাল হকিকত গায়েব করা যায় সর্বোপরি বিষয়টি ৪০ বছর কাল গোপন রাখা যায়। আর কেনইবা একজনের হক নষ্ট করে তাকে তার অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে হয় তা এখনও বুঝে আসেনা।


সীমাবদ্ধ জ্ঞানে বিষয়টি যে কতোটা গুরুত্বপূর্ন নাকি গুরুত্বহীন তা আর বোঝা হোল না, যা বুঝেছি তাহলো হয়তো পাগল সাজিয়েছে নয়তো মরবার আগেই আমাকে মেরে ফেলেছে, সত্যি ভাবতে অবাকই লাগে যে আমি মরেও এখনও বেঁচে আছি!!! আমি স্রোতের বিপরীতে চলা মানুষ না হলেও পারিবারিক ও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা যা আছে তাতে কালোকে-কালো আর সাদাকে-সাদা বলতে আমার বাঁধেনা। উইলের বিষয়ে আমার মৌনতার কারন ভিন্ন আমি বরাবরই মোটাকাপড় মোটাভাতে বাঁচতে চেয়েছি, আমি একা বাঁচতে চাইনি, পরিবারের সবাইকে নিয়ে বাঁচতে চেয়েছি, গাড়ী-বাড়ী আমি কোন কালেও চাইনি। আমার আর আমার বাচ্চাদের উপর অনেক অবিচার হয়েছে যা নিরবে সহ্য করে গেছি কিন্ত সহ্যের ও সীমা আছে, আর নিতে পারছিনা, নিরবধি মর্ম্মপীড়ায় জ্বলছি অন্তহীন সে জ্বলা।


নিন্দুকেরা নাক সিটকাবে সত্যি, কিন্ত কারো না কারো কলিজা যে বরফ হবে তা আমি নিশ্চিত, সেখনেই আমার স্বার্থকতা।। (ক্রমশঃ প্রকাশ্য)



Show more
0
15
https://avalanches.com/bd/kesabpur__1902106_16_11_2021

কেশবপুরের গড়ভাংগা বালিকা বিদ্যালয়ে একমাস মেয়াদী হকি প্রশিক্ষন কর্মশালা শুরু

=============================================================

মীর আজিজ হাসান (যশোর), কেশবপুর প্রতিনিধি।

===============================

কেশবপুর উপজেলার গড়ভাংগা বালিকা বিদ্যালয়ে আজ সোমবার বিকাল ০৩ ঘটিকার সময় একমাস মেয়াদী হকি প্রশিক্ষন কর্মশালা শুরু হয়েছে।

একমাস মেয়াদী হকি প্রশিক্ষন কর্মশালা পরিচালনা করবেন গড়ভাংগা বালিকা বিদ্যালয়ের ক্রিড়া শিক্ষক সাইদুল ইসলাম।


গড়ভাংগা বালিকা বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি সাজ্জাদ হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ৭নং পাঁজিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সুযোগ্য সাধারণ সম্পাদক ও চলমান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশি জনাব আব্দুল আহাদ আলবাহার।


বিশেষ অতিথি হিসাবে অত্র প্রশিক্ষন কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি সিদ্ধান্ত বসু ও গড়ভাংগা বালিকা বিদ্যালয়ের সুযোগ্য প্রধান শিক্ষক সুপ্রভাত বসু।।


তারিখঃ 16/11/2021

[email protected]

মোবাইল নং- 01716 144548


Show more
0
14
Show more
Fair
Show more