এর সকল প্রকাশনা RaNa Ahmmed Ovi । Jhenida , বাংলাদেশ

Publications
https://avalanches.com/bd/jhenida__1899244_04_10_2021

রাস্তা ঠিক করে দিলেন মোজাম্মেল হক শাহিন


রাস্তাঘাট ভাঙ্গা কিংবা জলাশয় এমন দুর্ভোগ আমার প্রাণে নাহি সয়।

-মোজাম্মেল হক শাহিন (চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী ৬নং চিতড্ডা ইউনিয়ন)


চিতড্ডা ইউনিয়ন এবং ঝলম ইউনিয়নের প্রাণকেন্দ্র ঝলম উত্তর বাজার থেকে সাইলঁচো গ্রামের মোড় পর্যন্ত রাস্তার বেহাল দশা ছিল দীর্ঘদিন যাবত।প্রতিদিন দুর্ঘটনার স্বীকার হতো পথচারীরা,এই রাস্তাটি চলার অনুপযোগী হয়ে উঠেছিল।সাধারণ মানুষ সামাজিক যোগাযোগে বিষয়টি তুলে ধরেছিল,এই বিষয় নজরে আসার সাথে সাথে আসন্ন ৬ নং চিতড্ডা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী প্রিয় নেতা নাসিমুল আলম চৌধুরি নাজমুল এমপি মহোদয়ের বিস্বস্থ ভ্যানগার্ড মোজাম্মেল হক শাহিন ভাই রাস্তায় ইট-কংক্রিট ফেলে চলার উপযোগী করে তুলেছে।


চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী মোজাম্মেল হক শাহিন ভাই বলেন জনগণের চাওয়া পাওয়া পূরণ করাই আমার দায়িত্ব।


কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি মানুষের পাথে থেকে সেবা করে যাওয়া জনদরদী নেতা মোজাম্মেল হক শাহিন ভাইয়ের প্রতি।আমরা ৬ নং চিতড্ডা ইউনিয়নবাসী এমন যোগ্য চেয়ারম্যান'ই চাই।


Show more
0
50
https://avalanches.com/bd/jhenida__965948_31_10_2020
https://avalanches.com/bd/jhenida__965948_31_10_2020

ঝিনাইদহের শৈলকূপার বিশিষ্ট সমাজ সেবক রাজনীতিবীদ সাবেক তখোড় ছাত্রনেতা মোঃ মাহিদুর রহমান মাসুদের জন্মদিন আজ।

১৯৬৫ সালের ৩১ শে অক্টোবর মোঃ মাহিদুর রহমান মাসুদ শৈলকুপা পৌর এলাকার উত্তর পাড়া গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আতিয়ার রহমান মাস্টার এবং মাতার নাম মোছাঃ শাহেরা খাতুন। তার দাদার বাবা প্রয়াত মাদু মন্ডল শৈলকুপা মৌজায় অর্ধ শতাধিক একর ব্যক্তিগত জমির মালিকানাধীন ছিলেন এবং অধিক সম্পদের অধিকারি ছিলেন। তত্বকালীন সময় থেকে শৈলকুপার অত্র অঞ্চলে তাদের পরিবারের আধিপত্য ছিলো। উল্লেখ্য তার দাদার পিতা মাদু মন্ডল শৈলকুপার হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যেমণি হয়ে ছিলেন এবং তার দাদা মোবারক মন্ডল অত্র এলাকার মাতবর এবং ধার্মিক ব্যক্তি হিসাবে পরিচিত ছিলেন। অত্র এলাকার মসজিদ নির্মাণ থেকে শুরু করে ধর্মীয় ও সামাজসেবামুলক কাজ তার দাদা — নানার হাত ধরে শুরু হয় এবং তার এই ধারাবাহিকতায় তার পিতা প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিয়ার রহমান মাস্টার জীবদ্দশায় বর্ণাঢ্য সম্মাননা অর্জন করেন। তার পিতা একজন স্বনামধন্য ক্রীড়াবিদ ও ক্রীড়া শিক্ষক এবং বিশিষ্ট রাজনীতিবীদ হিসেবে উপজেলা জুড়ে তাঁর খ্যাতি ছিল। তার পিতা ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনী প্রচারণার মাধ্যমে রাজনিতিতে প্রবেশ করেন এবং ১৯৫৪-৭১ সাল পর্যন্ত সকল আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় ভুমিকা রাখেন। তার পিতা মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ছিলেন এবং সাবেক এম পি মরহুম ডাঃ কাজী খাদেমুল ইসলামের ঘনিষ্ট সহচর হিসেবে শৈলকুপার বিভিন্ন সামাজিক কাজে তাঁর পিতার অগ্রণী ভূমিকা ছিল এবং তার ফলশ্রুতিতেই কয়েকবার জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কাছে গিয়ে রাজনৈতিক পরামর্শ গ্রহণ ও দেখা করা সুযোগ হয়েছিল।

জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রথম যখন শৈলকুপা সাংগঠনিক কাজে আসেন তখন তার পিতা মোঃ আতিয়ার রহমান মাস্টার শৈলকূপা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে শেখ হাসিনার সাথে মঞ্চে থেকে বক্তিতা প্রদান করেন এবং সভা পরিচালনা করেন। বর্তমান এম,পি আব্দুল হাই সাহেবকে প্রথম শৈলকুপা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের কোন এক বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে দাওয়াত দিয়ে নিয়াসেন এবং ঐ অনুষ্ঠান থেকেই প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক ভাবে তার নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হয়। তার পিতা ১৯৭৪ সালে শৈলকুপা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের শরীরচর্চা শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন এবং এর আগে কাতলাগাড়ী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কিছুদিন একই পদে শিক্ষকতা করেন।

শৈলকুপার বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে তাঁর পিতার ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয়। শৈলকুপা বালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় তার পিতার অগ্রণী ভূমিকা ছিল এবং এ বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি ছিলেন দীর্ঘ ১৭ বছর। তার পিতা ১৯৭৩ সাল থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ২৬ বছর শৈলকুপা উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি ছিলেন এবং সাবেক শৈলকূপা ৪ নং ইউনিয়ন (বর্তমান পৌরসভা) পরিষদের প্রথম বিনাপ্রতিদন্ধিতায় নির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন এবং একই শাখার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। তাঁর পিতা নিজ এলাকায় আতিয়ার রহমান পাঠাগার নামে একটি পাঠাগার ও উত্তর পাড়া মডেল একাডেমি নামে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। তাঁর পিতার স্মৃতিকে ধরে রাখতে শৈলকুপা নাগরিক কমিটি একটি স্মরণসভা ও স্মরণিকা প্রকাশ করেন।

বিশিষ্ট সমাজসেবক মোঃ মাহিদুর রহমান মাসুদ সাতগাছি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পরালেখা শেষ করে শৈলকুপা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হয় এবং ১৯৭৯ সালে স্কুল জীবন থেকেই বিভিন্ন মিছিল মিটিংয়ের মধ্যে দিয়ে ছাত্র রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে পড়ে। তারপর ১৯৮৩ সালে এস,এস,সি পাস করে ১৯৮৩-৮৪ সালে ঝিনাইদহ কে,সি কলেজে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের ব্যানারে জনাব আব্দুল হাই (বর্তমান ঝিনাইদহ -১ আসনের মাননীয় সাংসদ, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী জনাব আব্দুল হাই) এর বলিষ্ঠ নেত্রীত্বে এরশাদ বিরধী আন্দোলনের মাধ্যমে রাজনীতিতে সক্রিয় হোন। এবং সকল আন্দোলন সংগ্রামে নিজেকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নিয়োজিত করেন। এরপর রাজনৈতিক পেক্ষাপটে এলাকা ছাড়তে বাধ্য হোন এবং যশোর ঝিকরগাছা থেকে এইস, এস, সি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হোন। পরবর্তীতে ঠিকাদারি ব্যবসায় নিজেকে নিয়োজিত করেন তারপর দীর্ঘ বিরতি নিয়ে দুঃখী মাহমুদ কলেজে স্নাতক ভর্তি হয়। এরশাদ বিরধী আন্দোলনের পর বিএনপি ক্ষমতায় আসলে তখন থেকে এখন পর্যন্ত ঝিনাইদহ — শৈলকুপার প্রতিটা আন্দোলন সংগ্রামে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন। ছাত্র রাজনীতি করাকালে শৈলকুপা ছাত্রলীগ — ছাত্রশিবির এর সংঘর্ষে ছাত্রলীগের পক্ষে ছাত্র শিবির কে পরাজিত করতে সক্ষমতা অর্জন করেন। পরবর্তিতে ৯০ এর দশকে শৈলকুপা বিএনপি জামাতের বিরুদ্ধে তার নিজেস্ব বিশেষ বাহিনী দ্বারা নেত্রীত্ব দিয়ে আন্দোলন সংগ্রাম গড়ে তোলেন এবং পরবর্তীতে বিএনপি পুনঃরায় ক্ষমতায় এলে ২০০০ সালে বিশেষ ক্ষমতা আইন এ ৩৭ দিনের জেল প্রদান করেন এবং রিমান্ডে নিয়ে অমানুষিক নির্যাতন করে।

উল্লেখ্য সাবেক এম,পি প্রয়াত ডাঃ কাজী খাদেমুল ইসলামের ছোট ভাই এবং তার পিতা এবং শশুর এর ঘনিষ্ঠ বন্ধু ত্বতকালীন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের যুগ্ন-সচিব প্রয়াত কাজী শামসুজ্জামান (ফুল কাজী) তার নিবিড় তত্ত্ববধানে জেল থেকে ছাড়া পান এবং শর্তমতে তারপর তিনি ঢাকা চলে যান। তারপর বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ শৈলকুপা উপজেলা শাখায় যোগদান করেন, (তখন নাসির খান থানা যুবলীগের আহব্বায়ক ছিলেন)। থানা যুবলীগের পরবর্তী সম্মেলনে বন্ধুবর স,ম রানাউজ্জামান বাদশাহর স্বপক্ষে নির্বাচনে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করার মধ্যে দিয়ে জয়লাভ করেন এবং ঐ কমিটিতে সিনিয়র সহ-সভাপতি হোন এবং ২০০৪ সালে আওয়ামীলীগ দলকে সুসংগঠিত করতে শৈলকুপা পৌরসভায় ৪ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হোন। উল্লেখ্য তত্বকালীন সময় একমাত্র তিনি কাউন্সিলর এবং কাজী আশরাফুল আযম মেয়র পদে আওয়ামীলীগ থেকে মনোনিত প্রার্থী ছিল এবং ততকালীন সময়ে আওয়ামী লীগ বিরধী দলে থাকায় দলটিতে অর্থনৈতিক ভাবে দেখভাল করার কেওছিলা ঠিক ওই মুহুর্তে তিনি ঢাকা থেকে চাকরি করে অর্থ উপার্জন করে তখনকার ছাত্রলীগ, যুবলীগ নেতা কর্মীদের নিজের সর্বোচ্চ দিয়ে সহযোগিতা করেন। যেটা এখন পর্যন্ত বিদ্যমান রয়েছে ১/১১ সময় শৈলকুপার রাজপথের মিছিল মিটিংয়ে বলিষ্ঠ নেত্রীত্ব দিয়ে সংগঠনকে উজ্জীবিত করতে সহযোগিতা করেছে। কিন্তু এতো ত্যাগ তিতিক্ষার পর ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে কিছুদিন যাওয়ার পর দুর্নিতির সাথে আপোষ করতে নাপেরে ২০১০ সালে আবার ঢাকার উদ্দেশ্যে জীবিকার জন্য চাকরিতে যোগাদান করেন এবং কিছুদিন চাকরি করার পর ২০১৪ সালের নির্বাচনে বিএনপির জামাতের সহিংসতা প্রতিরোধে পুনরায় চাকরি ছেড়ে চলে আসেন এবং প্রতিটা আন্দোলনে পরোক্ষভাবে নিয়োজিত ছিলেন। উল্লেখ্য ২০১৪ সালে আগের তুলনায় অনেক বেশি কর্মী সমর্থক দৃশ্যমান ছিলেন! তখন হয়তো এই দুঃসময়ের নিবেদিত সৈনিকগুলো না থাকলেও দলের কিছু আসেযায় না। যাইহোক, এই ত্যাগি নেতার জেষ্ঠ পুত্র মোঃ সাইমুম রহমান শাওন ছাত্র রাজনীতি শেষ করে, আওয়ামী যুবলীগ শৈলকুপা পৌর শাখার রাজনীতির সাথে পতোক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত এবং এম,পি পুত্র ব্যারিস্টারি অধ্যায়নরত তানভীর হাই জিসান এর ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও এম,পি মহোদয়ের একনিষ্ঠ আস্থাভাজন। মোঃ মাহিদুর রহমান মাসুদ বর্তমান এম,পি জননেতা জনাব আব্দুল হাই সাহেবের ঘনিষ্ঠ স্নেহতুল্য ছোট ভাই হওয়া সত্ত্বেও তার ১৪ মাস মন্ত্রী থাকা কালীন সময়ে একবারের জন্যও কোনো প্রকার দতবির নিয়ে ততকালীন মন্ত্রী মহোদয়ের কাছে যায়নি। তার এই বর্ণাঢ্য জীবন পর্যালোচনা করলে এটাই প্রমাণিত হয় যে, তিনি তার পিতার মতো সৎ, ত্যাগি এবং পরোপকারী ব্যক্তি। তিনি আসন্ন শৈলকুপা পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী! তার জন্মদিনে আগামীর জন্য অসংখ্য শুভকামনা, ভালোবাসা ও সাফল্য কামনা করছেন এলাকাবাসী।

Show more
0
24
https://avalanches.com/bd/jhenida__553476_07_07_2020

ইউটিউবার ইভান সাব্বিরের এগিয়ে যাওয়ার গল্প


কেউ নিজের গল্প লিখে হেরে যায়,আবার কেউ তার নিজের স্বপ্নে দেখা সেই গল্পটাকেই বাস্তবায়ন করার জন্য জীবিত দেহের সাথে লড়াই করেই যায়,বুকে প্রত্যাশা একটাই আমার জয় একদিন হবেই, হ্যা আমি ভুল, হ্যা আমি কিছুই না আপনার জন্য, আমার কাছে আমি অনেক দামি,আমাকে লড়াই করতেই হবে আমার গল্প বাস্তবায়ন করার জন্য, ১০০টা মানুষের ঘৃনা করাই স্বাভাবিক,কারন তুমি তখন বুঝে নিবে সাফল্য তোমার হাতের মুঠোয়,হ্যা হতে পারে আমি অনেক ছোট ইউটুবার ,হতে পারে ভালো কন্টেন্ট উপহার দিতে পারি না,তবুও চেষ্টা করি, প্রতিধান চাচ্ছি না ভালোবাসা চাচ্ছি সেটা দিতেও আপনারা ব্যর্থ,

আপনারা শুধু আমার খারাপ দিকটাই দেখে গেলেন, কই আমি ১বছর দরে কোন নতুন কন্টেন্ট বানাচ্ছি না, আপনারাতো কেউ জিজ্ঞাস করলেন না, সাব্বির কোথায় বিলিন, ইভান সাব্বির নামক চ্যানেলটা আজও স্তব্ধ, আমি জানি আপনারা গল্প শুনতে ভালোবাসেন,তাই বল্লাম,

আসল কথায় আশি


★ইউটুবার হওয়ার স্বপ্নটা অনেক আগে থেকেই, প্রথম যাত্রা শুরু Aug-11-2017,বেশ সময়টা ভালোই কাটছিলো,আমি তেমন তখন জানতাম না,ইউটুবার হওয়ার জন্য অনেক টাকার প্রয়োজন,

আমার জন্ম মধ্যবিত্ত একটা পরিবারে,টাকা পয়সা ও তেমন নেই,আমার এক স্কুলের বন্ধুর সাথে শেয়ার করলাম, সে বল্লো তারো ইউটুবার হওয়ার স্বপ্ন, তখন আমার সাহসটা আরো বেরে গেলো,প্রথম আমি আর সে মিলে একটা গান করলাম ১৫০০টাকা দিয়ে, চাদপুরে তেমন ইউটুবার ছিলো না,Samz vai এর কাছে গিয়েই গানটি করা, তারপর আমার বন্ধুর চাচা একটা কেমেরা আনে বিদেশ থেকে, ওই ক্যামরা দিয়ে ভিডিও শুরু করলাম,ইডিট ও পারতাম না, কারন আমার কাছে তেমন ভালো ফোন ও ছিলোনা,ইডিট করাতাম ৫০০-৭০০টাকা দিয়ে, ধীরে ধীরে চাদপুরে আমাদের চ্যানেলটা ভালোই পপুলার হচ্ছিলো, ৬-৭টা ভিডিও করার পর ভালোই রেস্পন্স পেয়েছিলাম, হঠাৎ করে একদিন আমার আর বন্ধুর মাঝে সমস্যা হয়, তখন আমার ইউটুব চ্যানেলটি তার মোবাইলফোনে লগিন ছিলো,আমার সব কথাই তাকে শেয়ার করতাম, এমনকি আমার ফেসবুক,ইউটুব,পাসওয়ার্ড টাও তাকে বলে দিয়েছিলাম,সে একদিন আমার ফেসবুক, ইউটুব এর সকল পাসওয়ার্ড পাল্টে দেয়,এবং তার কেমেরা দিয়ে ভিডিও করার ফলে এগুলো করেছিলো, পড়ে আমি সব জানতে পাড়ি,অনেক কষ্ট পেয়েছিলাম, সে আমাকে এটাও বলে ওই চ্যানেলে আমার কোন অধিকার নেই,ভেংগে পরেছিলাম, কি করবো আমি এখন, আমারতো কিছুই নেই, মোবাইল ফোনটাও তেমন ভালো না, পিছনের ক্যামেরাটাও নষ্ট, সামনেরটা ঝাপসা,শুধু ১-২টা এ্যাপস ডাউনলোড দেওয়া যায়, এমনকি মোবাইলটা আমার ও ছিলো না, আম্মুর, আমার বাসার পাশে একটা ভাই ছিলো, রানা নামের আমাকে বেশ আদর করতো,তার একটা মোটামোটি ভালো ফোন ছিলো, সেটা দিয়ে তাকে বলে একটা চ্যানেল খুল্লাম, ১৮টা সাবস্ক্রাইব বানিয়েছিলাম খুব কষ্ট করে, হঠ্যাং সেই চ্যানেলের পার্সওয়ার্ড টাও ভুলে যাই,২-৩মাষ কিছুই করি নাই,আম্মুর সেই ফোনটা দিয়েই আবার একটা চ্যানেল খুলি, Stromz vai নামক আমার অনেক কাছের ভাই,তার কাছে একটা গান রেকর্ড করি, গল্পটা রেপ গানের দিয়ে শুরু হলেও রেপ গান করা ছেরে দিয়েছিলাম, কারন এটা সবার পছন্দ না,ক্লাসিকেল গান করা শুরু করলাম, ২-৩টা গান করলাম, তেমন ভিও নেই, সাবস্ক্রাইব ও নেই, আমাকে নিয়ে সবাই টিটকারি শুরু করলো, স্কুলে গেলে সবাই বলে এই বাল ছাল করে জিবনেও কিছু করতে পারবি না, খুব কষ্ট লাগতো,তবুও হালছারিনি, Samz vaiএর সাথে ২-৩Ta গান করি,৩টাই ভাইরাল হয়,সাবস্ক্রাইব বাড়তে থাকলো, Vajan আমার খুব ভালো বন্ধু ছিলো, অল্পদিনের পরিচয় হলেও আমাকে অনেক হেল্প করেছে, তাকে নিয়ে ২টা ভিডিও বানাই, ২হাজার করে ৪হাজার টাকা দিয়ে, আমার কাছে তখন আর টাকা নেই, আবার টাকা যোগান শুরু করলাম, লাষ্ট ১বছর আগে একটা মিউজিক ভিডিও করি,


আপনাদের দোয়ায় ২মিলিয়ন +ভিউ হয়েছে, ইচ্ছাটা আরো বেড়ে গেলো,কিন্তু কাজে লাগানোর কোন পথ ছিলো না, কারং আমার কেমেরা, ফোন কোনটাই ছিলো না,আমার ভিডিও গুলো ছারতাম অন্য মানুষের ফোনে আমার চ্যানেল লগিন করে,

সামনে Ssc পরিক্ষা, প্রস্তুতি নিতে থাকলাম, রেজাল্ড এর পর ঢাকায়, একটি কলেজে এডমিট হই,কাউকেই চিনতাম না,তবে ফেসবুকে পরিচয় Sazid Sazu ভাইয়ের সাথে প্রথম কাজ ঢাকায় আমার,অনেক ভালো মনের একজন মানুষ ওনি,আমাকে অনেক হেল্প করেছে,আমার সবটা দিয়েও আপনার উপকারের প্রতিদান দিতে পারবোনা ভাই,আজ আমার এই চ্যানেলের ১.৫বছর পূর্ন হয়েছে, মাএ ২-৪মাস খেটেছিলাম, আর ১বছর প্রায় কিছুই করিনি,কারন আমার কাছে এখনও ভালো ফোন, ক্যামেরা দুটোর একটাও নেই, অনেক সময় অনেকের ক্যামেরা চাইতে গিয়ে অপমান ও হয়েছি,আমার আফসোস নেই,শুধু এতোটুকুই বলতে চাই,অন্নৈর জিনিস কখনো নিজের মনে করো না,

ভালো একটা কলেজে ভর্তি হওয়ার ফলে তেমন সময় ও পাই না,তাই নতুন কিছু উপহার ও দিতে পারছি না,আগের মতো মানুষ আর শেয়ার তো দূরের কথা সার্পোট ও দেয় না,তরুনদের ভালোবাসুন,ওরাউ ওদের সর্বোর্চটা দিয়ে আপনাকে ভালোবাসবে,


ভালোবাসা নিবেন

ভালোলাগলে বেশি বেশি শেয়ার দিবেন

ধন্যবাদ

Show more
0
234
Show more